🔷

স্থানিক যুক্তির কুইজ

ঘোরানো, ভাঁজ, রং করা ঘনক, আয়না। কুড়িটা স্থানিক ধাঁধা, সবই কথায় বলা।

এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে

এই টেস্ট সম্পর্কে

স্থানিক যুক্তির পরীক্ষা প্রায় সবসময়ই ছবির চেহারায় আসে। এখানে সবটাই কথায় বলা: প্রতিটা আকৃতি এত নিখুঁতভাবে বর্ণনা করা, যাতে কিছু না দেখেও সেটা মনে মনে গড়ে নেওয়া যায়। এটা বেশি কঠিন, কারণ আগে ছবিটা বানাতে হয়, তারপর সেটা নাড়াচাড়া করতে হয় — অথচ এই পরীক্ষাগুলো যে পেশিটা মাপার দাবি করে, সেটা ঠিক এটাই।

তিনটে অভ্যাস তফাত গড়ে দেয়। ভাঁজের ক্ষেত্রে পরত গুনুন: এক ভাঁজে দুই পরত, দুই ভাঁজে চার, তিন ভাঁজে আট — আর একটামাত্র ফুটো যত পরত তত ফুটো করে। ছোট ঘনকে কাটা বড় ঘনকের ক্ষেত্রে অবস্থান ধরে ভাগ করুন: আটটা কোনায় সবসময় তিন তলে রং, ধারের ঘনকে দুই তলে, কোনো তলের মাঝের ঘনকে এক তলে, আর ভেতরের কেন্দ্রে একটাও নয়। ঘোরানোর ক্ষেত্রে শুরুর দিকটা লিখে নিয়ে একবারে এক পোয়া করে ঘোরান, গোটা হিসেবটা এক ঝটকায় করতে যাবেন না।

শেষ ফাঁদটা আয়নার: আয়না ওপর-নিচ উল্টোয় না, কেবল বাঁ-ডান উল্টোয়। তাই আয়নায় দেখা ঘড়ির আসল সময় পাওয়া যায় দেখা সময়টাকে বারো থেকে বাদ দিয়ে। আর খাড়া আয়নায় কোনো অক্ষর একই থাকে কেবল তখনই, যখন তার বাঁ-ডান প্রতিসাম্যের অক্ষ আছে — যা আমাদের ধারণার চেয়ে অনেক বিরল।

এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।