আবিষ্কারের কুইজ
উদ্ভাবক, তারিখ আর কেউ ভাবেনি এমন ব্যবহার নিয়ে কুড়িটা প্রশ্ন।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
আবিষ্কারের ইতিহাস পাঠ্যবই যতটা বীরত্বের বলে দেখায় তার চেয়ে অনেক কম বীরত্বের। সেটা গড়া হাতের ভুল, বিগড়ে যাওয়া পণ্য আর পেটেন্টের দশ বছর পরে হঠাৎ পাওয়া বাজার দিয়ে। তাই এই কুইজ উদ্ভাবকদের মতোই জোর দেয় গোড়ার ব্যবহারের ওপর, কারণ আসল তথ্যটা প্রায়ই ওখানেই লুকিয়ে থাকে।
বাবল র্যাপ তার নিখুঁত উদাহরণ। ১৯৫৭ সালে দুই মার্কিন প্রকৌশলী প্লাস্টিকের দুটো শিটের মাঝে বাতাসের বুদবুদ আটকে একটা বুনটওয়ালা ওয়ালপেপার বানাতে চেয়েছিলেন। ঘর সাজানোর জিনিস হিসেবে ওটা কারও পছন্দ হয়নি। একটা কম্পিউটার কোম্পানি যখন ভঙ্গুর যন্ত্র পাঠানোর উপায় খুঁজছিল, তখনই জিনিসটা নিজের বাজার পায়, আর তারপর আর ছাড়েনি। মাইক্রোওয়েভ ওভেনের গল্পও একই ছাঁদের: রাডারের ম্যাগনেট্রন নিয়ে কাজ করা এক প্রকৌশলী লক্ষ করেন, তাঁর পকেটের মিষ্টিটা গলে গেছে।
শেষে একটা অস্বস্তিকর কথা মেনে নিতে হয়: বিখ্যাত আবিষ্কারের বেশিরভাগই একাধিক মানুষের আবিষ্কার। টেলিফোন, বাতি, দহন-ইঞ্জিন আর আলোকচিত্র — সবই আলাদা আলাদা দেশে কয়েক মাসের ব্যবধানে কয়েকজন মিলে দাঁড় করিয়েছেন। তাই প্রশ্নটা কার মাথায় ভাবনাটা এসেছিল তা নয়, প্রশ্নটা কে পেটেন্ট নিলেন আর কে বিক্রি করতে পারলেন। এই কুইজ তাই তারিখ-ধরা তথ্যেই থাকে: মঞ্জুর হওয়া পেটেন্ট, প্রথম প্রকাশ্য প্রদর্শন, বাজারে আসা।
কীভাবে কাজ করে
চারটে উত্তরের কুড়িটা প্রশ্ন, সবচেয়ে চেনা উদ্ভাবক থেকে আকস্মিক আবিষ্কার পর্যন্ত, আর প্রতিবারে একটাই ঠিক উত্তর। প্রশ্নগুলো তারিখ-ধরা তথ্য নিয়ে — পেটেন্ট, প্রদর্শন, বাজারে আসা — বিতর্কিত অগ্রাধিকার নিয়ে কখনোই নয়। শেষে ব্যাখ্যা দেখানো হয়।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।