নৈতিক অবস্থানের পরীক্ষা
ষোলোটা বাস্তব দ্বিধা। কোনো সঠিক উত্তর নেই, কেবল আপনার উত্তরটাই আছে।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
নিয়মনিষ্ঠ-বিশৃঙ্খল আর ভালো-মন্দ — এই দুটো অক্ষ এসেছে সত্তরের দশকের কাগজ-কলমের রোল-প্লেয়িং খেলা থেকে, যেগুলো সংগতিপূর্ণ চরিত্র চালানোর একটা শর্টকাট খুঁজছিল। প্রথম অক্ষটা ভালোমানুষি নিয়ে নয়, ছকের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে: আপনি নিয়মকে ভরসা করেন, না নিজের বিচারকে? দ্বিতীয়টা বলে আপনি কাকে আগে রাখেন — অন্যকে, না নিজেকে।
ছকটা স্থূল, আর এই কারণেই কাজ করে: সত্যিকারের বেশিরভাগ নৈতিক মতভেদ ভালো আর মন্দ নিয়ে নয়, প্রথম অক্ষটা নিয়েই। যাঁরা সৎভাবে একই জিনিস চান, এমন দুজন মানুষ বছরের পর বছর লড়ে যেতে পারেন — একজন পদ্ধতি পাশ কাটাতে রাজি নন বলে, আরেকজন পদ্ধতি জেগে ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে রাজি নন বলে।
এই পরীক্ষার ষোলোটা প্রশ্ন ইচ্ছে করেই ছোট আর বাস্তব: একটা মানিব্যাগ, একটা পার্কিংয়ের জায়গা, একটা খরচের বিল, একজন প্রতিবেশী। বড় দার্শনিক দ্বিধাগুলো সহজ, কারণ ওগুলোর কোনো দাম লাগে না। আপনার আসল নীতিটা পড়া যায় পাঁচশো টাকা বা পাঁচ মিনিট দেরির জন্য আপনি কী করেন তাতে।
কীভাবে কাজ করে
প্রতিটা উত্তর একটা অবস্থানের পক্ষে ভোট দেয়। সবচেয়ে বেশি বাছাটাই আপনার ফল, আর শতকরা হারের ভাগাভাগি আপনার গৌণ ঝোঁকগুলো দেখায় — দুই অক্ষেই খাঁটি, এমন মানুষ প্রায় নেই। কোনো অবস্থানই অন্যটার চেয়ে ভালো নয়: এগুলো মীমাংসা করার ধরন বোঝায়, কোনো বস্তুনিষ্ঠ নৈতিক মূল্য নয়।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।