আপনার রসবোধের ধরন কী?
সবাই নিজেকে মজার ভাবে। আসল প্রশ্ন হলো, আপনার রসবোধটা আপনার কী কাজে লাগে।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
২০০৩ সালে কানাডীয় মনোবিজ্ঞানী রড মার্টিন আর তাঁর দল রসবোধ অন্যভাবে মাপার প্রস্তাব দেন: তার পরিমাণ নয়, তার কাজ। তাঁদের প্রশ্নমালা, Humor Styles Questionnaire, দুটো অক্ষ ধরে চারটে ধরন আলাদা করে — রসবোধ অন্যের দিকে ফেরানো না নিজের দিকে, আর রসবোধ গড়ে তোলে না ক্ষয় করে। এতে পাওয়া যায় সম্পর্কমুখী রসবোধ (কাছে আনা), আত্ম-সহায়ক রসবোধ (ভেসে থাকা), আক্রমণাত্মক রসবোধ (কাউকে আঘাত করা) আর আত্ম-অবমাননামূলক রসবোধ (নিজেকে নিশানা করা)।
এই কাঠামোর অবদান হলো এই ধারণাটা ভেঙে দেওয়া যে রসবোধ নিজেই মানসিক সুস্থতার লক্ষণ। প্রথম দুটো ধরন বরং সুস্থতার সঙ্গে মেলে, শেষ দুটো বরং তার উল্টোটার সঙ্গে — আর একই মানুষ একটা দামি ধরনেও খুব মজার হতে পারে। অর্থাৎ কৌতূহলোদ্দীপক প্রশ্নটা 'আপনি মজার কি না' নয়, বরং 'আপনার রসবোধ আপনার কী কাজে লাগে'।
এই পরীক্ষার চারটে ধাঁচ ওই চারটে ধরনকেই আমাদের নিজের নামে তুলে এনেছে। ষোলোটা সাধারণ পরিস্থিতি, একটা প্রধান ধরন, আর নিচে পুরো বণ্টন: বেশিরভাগ মানুষ মাঠ অনুযায়ী দুটো ব্যবহার করে।
কীভাবে কাজ করে
প্রতিটা উত্তর চারটে ধরনের একটাকে একটা পয়েন্ট দেয়, আর যেটা সবচেয়ে বেশি বাছা হয় সেটাই আপনার ফল। নিচে পুরো বণ্টনটা দেখানো হয়: দুটো ধরনের মধ্যে অল্প ব্যবধানই সবচেয়ে চেনা ছবি — দর্শক অনুযায়ী রসবোধ বদলায়, আর মার্টিনের কাঠামো ঠিক এটাই আগাম বলে।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।