🔵

বিন্দু গোনো

বিন্দুগুলো এক ঝলকে আসে। বলো কতটা ছিল।

এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে

এই টেস্ট সম্পর্কে

পরিমাণ বোঝার ক্ষেত্রে আমাদের একটি স্পষ্ট সীমা আছে। তিন-চারটি বস্তু পর্যন্ত না গুনেই আমরা জানি কতটা: উত্তর সঙ্গে সঙ্গে আসে, আর দুই বা চারের মধ্যে প্রতিক্রিয়া-সময় প্রায় একই থাকে। ঘটনাটির নাম সাবিটাইজিং। ওই সীমার পরে প্রতিটি বাড়তি বস্তুতে সময় বাড়ে, কারণ কাজটা অন্য প্রক্রিয়া নিয়ে নিয়েছে — গোনা বা অনুমান।

খেলাটি ঠিক সেই সীমাতেই চারটি বিন্দু দিয়ে শুরু হয়, প্রতিটি সফলতায় একটি বিন্দু যোগ করে আর ঝলক ছোট করে। গোনা তাড়াতাড়িই অসম্ভব হয়ে পড়ে, আর একটিই কৌশল টেকে: মনে মনে বিন্দুগুলোকে দুই-তিনের গুচ্ছে ভাগ করে গুচ্ছ যোগ করা। এটি নথিবদ্ধ একটি ঘটনা থেকে প্রাণিত খেলা, পরীক্ষা নয়: গবেষণায় সময় মিলিসেকেন্ডে নিয়ন্ত্রিত হয়, এখানে তুমি আঙুলে খেলছ।

কীভাবে কাজ করে

খেলা চার বিন্দু থেকে শুরু; প্রতিটি সঠিক উত্তর একটি বিন্দু যোগ করে ও ঝলক ছোট করে। তিন ভুলে খেলা শেষ; একশোর মাপ চার থেকে কুড়ি বিন্দুর মধ্যে ছড়ানো।

এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।