জোড়া মেলানোর খেলা
দুটো করে তাস উল্টান আর যত দ্রুত পারেন আটটা জোড়া খুঁজে বের করুন।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
জোড়া মেলানোর খেলা অনেক দিন ধরেই টেবিলে উল্টো করে রাখা সাধারণ তাস দিয়েই খেলা হয়, আর এটা সেই বিরল খেলাগুলোর একটা যেখানে ছয় বছরের বাচ্চা নিয়ম করে বড়দের হারিয়ে দেয়। কারণটা জানা: এটা জ্ঞান বা যুক্তি মাপে না, মাপে দৃষ্টি-স্থানিক কার্যস্মৃতি, অর্থাৎ কয়েক ডজন সেকেন্ডের জন্য কী কোথায় আছে তা ধরে রাখার ক্ষমতা।
ভালো খেলোয়াড়কে আলাদা করে তার বেশি স্মৃতিশক্তি নয়, তার পদ্ধতি। ধীর খেলোয়াড়েরা একটা তাস উল্টায়, মেলে না, তারপর অন্য একটা জায়গায় চলে যায় — ফলে ছড়ানো-ছিটানো তথ্য জমা হয় যা তারা ভুলে যায়। দ্রুত খেলোয়াড়েরা কড়া ক্রমে খোঁজে আর ছবির বদলে জায়গাটা মনে রাখে: দ্বিতীয় সারির তৃতীয় ঘর, 'আমটা' নয়।
দ্বিতীয় যে জোরটা প্রায়ই অবহেলা হয়: প্রথম পছন্দে অচেনা একটা তাস বেরোলে, কাজের অভ্যাসটা হলো এরপর আরেকটা অচেনা তাস উল্টানো, না-মেলা চেনা তাস নয়। এক চালের দামে একটার বদলে দুটো তথ্য পাওয়া যায়।
কীভাবে কাজ করে
প্রথম তাস উল্টানোর সঙ্গে ঘড়ি চালু হয় আর অষ্টম জোড়া পাওয়া গেলে থামে। অর্থাৎ ভুলসুদ্ধ মোট সময়ই মাপা হয়: প্রতিটা ভুল জোড়া দেখানোর জন্য প্রায় সাত দশমাংশ সেকেন্ড খরচ হয়। ১০০-তে স্কোর ১০০ সেকেন্ড থেকে শুরু হয় আর ১৫ সেকেন্ডে সর্বোচ্চে পৌঁছায়।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।