দৃষ্টিস্মৃতির পরীক্ষা
ঘরগুলো একটা ক্রমে জ্বলে ওঠে। সেটা ফিরিয়ে দিন। প্রতি স্তরে একটা করে বাড়ে।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
একগুচ্ছ জায়গা ঠিক ক্রমে ফিরিয়ে দেওয়া দৃষ্টি-স্থানিক কার্যস্মৃতির একটা চেনা পরীক্ষা। বড় মানুষের ক্ষেত্রে সাধারণ ফল পাঁচ থেকে সাতটা জায়গার আশেপাশে থাকে, অর্থাৎ অঙ্ক দিয়ে যা পাওয়া যায় তার একটু নিচে: স্থানিক তথ্য ভাষাগত তথ্যের মতো ভালো টেকে না, কারণ ওটা অত সহজে নিজের কাছে আওড়ানো যায় না।
সাত-আটটা ঘরের পরে স্কোর আর কাঁচা স্মৃতি থেকে আসে না, আসে একটা কৌশল থেকে। যারা উঁচুতে ওঠে তারা ঘরের তালিকা মনে রাখে না: তারা একটা পথ দেখে, একটা অক্ষর, একটা জ্যামিতিক আকার, কখনো হাত দিয়েই নড়াচড়াটা নকল করে। অঙ্কের ক্ষেত্রে যে দল বাঁধার কৌশল, এটাও সেটাই, কেবল জায়গার ওপর লাগানো। পরিবেশের ভার এখানে ভারী: দেখানোর সময় একটা দৃষ্টিবাধা, একটা নোটিফিকেশন ফুটে ওঠা, কিংবা নিছক চোখ সরিয়ে নেওয়াই চলতি ক্রমটা মুছে দিতে যথেষ্ট।
মনে রাখার মতো দুটো সীমা। প্রথমত মাপটা দেখানোর তালের ওপর নির্ভর করে, যা এখানে নির্দিষ্ট কিন্তু কেউ কেউ যা চাইত তার চেয়ে ধীর। দ্বিতীয়ত একটা ভুল ক্লিকেই খেলা শেষ, তাই দ্বিধাগ্রস্ত হাতের দাম কয়েকটা স্তর, যদিও স্মৃতির কোনো দোষ নেই। আর এই পরীক্ষা মুখ, জায়গা বা সত্যিকারের পথ মনে রাখা নিয়ে কিছুই বলে না — ওগুলো আলাদা ব্যবস্থার ওপর দাঁড়ানো।
কীভাবে কাজ করে
তিন বাই তিনের একটা বোর্ডের ঘরগুলো এলোমেলো ক্রমে একটা একটা করে জ্বলে ওঠে। ক্লিক করে আপনি সেই ক্রম ফিরিয়ে দেন। প্রতিবার ঠিক হলে ক্রমের শেষে একটা বাড়তি ঘর যোগ হয়, আগেরগুলো একই থাকে। ক্রমের বাইরে প্রথম ক্লিকেই পরীক্ষা থেমে যায় আর আপনার স্কোর হয় শেষ পার করা স্তরটা।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।