টাইপ এ না টাইপ বি ব্যক্তিত্বের পরীক্ষা
অপেক্ষা, প্রতিযোগিতা, তাড়া, ব্যর্থতা। নিজেকে বসাতে ষোলোটা প্রশ্ন।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
টাইপ এ / টাইপ বি-র ভাগটা এসেছে দুই মার্কিন হৃদরোগ-বিশেষজ্ঞ মেয়ার ফ্রিডম্যান আর রে রোজেনম্যানের কাছ থেকে, যাঁরা পঞ্চাশের দশকের শেষে একটা বিখ্যাত পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করেন: তাঁদের অপেক্ষা-ঘরের চেয়ারগুলো সামনের দিক থেকে ক্ষয়ে যেত, কারণ রোগীরা বসতেন না, কিনারায় ঝুঁকে থাকতেন। তাঁরা তখন বর্ণনা করেন তাড়াহুড়োয় থাকা, প্রতিযোগী, ঘড়ির সঙ্গে অবিরাম লড়াইয়ে থাকা একটা ধরন, আর তার উল্টো, বেশি ধীরস্থির একটা ধরন।
এরপরের গল্পটা চালু কথার চেয়ে অনেক সূক্ষ্ম। তাঁদের প্রথম গবেষণা টাইপ এ-কে উঁচু হৃদরোগ-ঝুঁকির সঙ্গে জুড়েছিল, কিন্তু পরের দশকগুলোর গবেষণা গোটা ধরনটার জন্য সেই যোগ নিশ্চিত করেনি: গতি বা উচ্চাশা নয়, ভার হয়ে দাঁড়ায় মূলত বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব আর দীর্ঘস্থায়ী বিরক্তি। উৎসাহী একজন টাইপ এ আর ক্রুদ্ধ একজন টাইপ এ-র ডাক্তারি কাগজ এক নয়। তাই এই পরীক্ষা আপনার স্বাস্থ্য নিয়ে কিছুই আগে থেকে বলে না, আর বলার চেষ্টাও করে না।
তবে যা করে, সেটা কাজের: সময়, অপেক্ষা, প্রতিযোগিতা আর ব্যর্থতার সঙ্গে আপনার সম্পর্কটা বসিয়ে দেয় — এই চারটে মাঠেই ধরনটা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। নিজের জায়গাটা জানা থাকলে রোজকার অনেক ঘষা-লাগা বোঝা যায় — কেন লাইনে আপনার মাথা গরম হয়, কেন এক সহকর্মীকে ধীর মনে হয়, কেন একটা ফাঁকা রবিবার আপনার কাছে হয় উপহার, নয়তো সমাধান করার মতো একটা সমস্যা।
কীভাবে কাজ করে
প্রতিটা উত্তর বৈশিষ্ট্যের তীব্রতা অনুযায়ী ০ থেকে ৪ নম্বর পায়। মোট নম্বর ১০০-র হিসেবে আনা হয়: স্কোর যত উঁচু, আপনি তত টাইপ এ-র দিকে ঝুঁকে। মাঝের ধাপগুলো ইচ্ছে করেই চওড়া, কারণ বেশিরভাগ মানুষই সবসময় একটা বা অন্যটা নন।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।