আপনি সকালের মানুষ না রাতের?
আপনার ভেতরের ঘড়ি কখনো অ্যালার্মের মত জিজ্ঞেস করেনি। দেখা যাক দুজনের কে ঠিক।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
ক্রোনোটাইপ — অর্থাৎ বরং আগে কিংবা বরং পরে ভালো কাজ করার প্রবণতা — কোনো পছন্দ নয়, ইচ্ছাশক্তির ব্যাপারও নয়। এটা আংশিকভাবে বংশগত একটা জৈবিক বৈশিষ্ট্য: দেহঘড়ির একাধিক জিনে, যার মধ্যে PER পরিবারের জিনগুলোও আছে, এমন কিছু রূপভেদ দেখা যায় যা বেশি সকালের বা বেশি রাতের কাজকর্মের সঙ্গে জড়িত। যমজদের নিয়ে গবেষণা বংশগত অংশটা প্রায় অর্ধেক বসায়, বাকিটা আসে বয়স, আলোর সংস্পর্শ আর রোজকার বাধ্যবাধকতা থেকে।
বয়সের ভার এখানে অনেক: কিশোর বয়সে ঘড়ি সন্ধের দিকে সরে যায়, এটা নথিবদ্ধ, তারপর দশক গড়াতে গড়াতে কাঁটা আবার সকালের দিকে ফেরে। রাত ১২টার আগে ঘুমোয় না এমন কলেজপড়ুয়া তাই নিশ্চিতভাবে অশৃঙ্খল নয়, আর ছ'টায় ওঠা দাদুরও বেশি কৃতিত্ব নেই। দুই ক্ষেত্রেই কথা বলছে ঘড়িটাই।
সমস্যা হলো, সমাজের সময়সূচি একটামাত্র ধাঁচের সঙ্গে মিলিয়ে বাঁধা। রাতের মানুষেরা কাজের দিনগুলোয় ঘুমের ঋণে থাকে আর ছুটিতে পোষায়: গবেষকেরা এই ব্যবধানকে বলেন সামাজিক জেটল্যাগ। এই পরীক্ষা আপনাকে ঘড়ি বদলাতে বলবে না — এক-দুই ঘণ্টার বেশি সরানো সহজ নয় — কিন্তু আপনার ঘড়িটা কোনটা তা বলবে, আর দিনের সবচেয়ে বাজে সময়ে কঠিন কাজ রাখা বন্ধ করতে এটুকুই যথেষ্ট।
কীভাবে কাজ করে
ষোলোটা কথা ঘোরে নিজে নিজে ঘুম ভাঙা, মনোযোগের সময়, খিদে আর শোয়ার সময় নিয়ে। রাতের দিকের কথাগুলো উল্টোভাবে গোনা হয়, যাতে গোটা সারিতে যন্ত্রের মতো একই উত্তর দেওয়া না যায়। গড় আপনার কাঁটাটা দুই প্রান্তের মাঝে বসিয়ে দেয়।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।